রাজনীতি, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং সমসাময়িক ঘটনাবলীর বিশ্লেষণ সংক্রান্ত অধ্যাপক ড. তারেক শামসুর রেহমানের একটি ওয়েবসাইট। লেখকের অনুমতি বাদে এই সাইট থেকে কোনো লেখা অন্য কোথাও আপলোড, পাবলিশ কিংবা ছাপাবেন না। প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন লেখকের সাথে

নিশা দেশাইয়ের ঢাকা সফর ও বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক




নিশা দেশাই বিসওয়াল বাংলাদেশে এসেছিলেন এবং চলেও গেছেন। নিশা দেশাই যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বেশ ক’টি হত্যাকা- সংঘটিত হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশিরাও হত্যাকা-ের শিকার হয়েছেন। হত্যাকা-ের শিকার হয়েছেন মার্কিন দূতাবাসের সাবেক প্রটোকল অফিসার ও পরবর্তী সময়ে ইউএসএইডে কর্মরত জুলহাজ মান্নান ও তার বন্ধু তনয়। জুলহাজ-তনয় হত্যাকা-ের পরপরই নিশা দেশাই ঢাকা আসেন এবং এসব হত্যাকা- নিয়ে মন্তব্য করেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিও প্রধানমন্ত্রীকে এ ব্যাপারে ফোন করেছিলেন। স্পষ্টতই এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র জুলহাজ-তনয় হত্যাকা-কে স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। ঢাকায় এসে নিশা দেশাই মন্তব্য করেছিলেন, জুলহাজ-তনয় হত্যাকা-ের সঙ্গে জঙ্গিরা জড়িত। তিনি আরও বলেছিলেন, এসব হত্যাকা-ে আল কায়দাসহ আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আইএস যেভাবে দায় স্বীকার করছে, তা অবিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, জঙ্গিবাদ নির্মূলে বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। নিশা দেশাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও দেখা করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব সন্ত্রাসী তৎপরতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আগাম কোনো তথ্য থাকলে তা বাংলাদেশকে দেয়ার আহ্বানও জানিয়েছিলেন। নিশা দেশাইয়ের ঢাকা সফরের পরপরই এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, জুলহাজ হত্যা তদন্তের শেষ দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
সব মিলিয়ে নিশা দেশাইয়ের বাংলাদেশ সফর বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আপাতদৃষ্টিতে জুলহাজ-তনয় হত্যাকা-কে কেন্দ্র করে নিশার সফর সম্পন্ন হয়েছে, এটা ভাবলে আমরা ভুল করব। সাম্প্রতিক নানা বিষয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। জিএসপি সুবিধা বাতিল হওয়ায় দুই দেশের সম্পর্ক আরও অবনতি হয়েছে। জিএসপি সুবিধা বাতিল হওয়ায় সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়েছিল। এর পেছনে রাজনীতি আছে, এমন মন্তব্যও করেছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এখন এর সঙ্গে যোগ হলো জঙ্গি প্রশ্নটি। যখন বাংলাদেশ সরকার বারবার বলে আসছে বাংলাদেশে আইএস নেই, সেখানে নিশা দেশাই বলে গেলেন, পরোক্ষভাবে আইএস আছে! এখন দেখতে হবে, এ দাবি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কতদূর পর্যন্ত যায়। পাঠক স্মরণ করতে পারেন, রানা প্লাজা ও তাজরীন গার্মেন্টে শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনা জিএসপি সুবিধা বাতিলের পেছনে অন্যতম প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছিল। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি ১৬ দফা কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছিল। এ কর্মপরিকল্পনা পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়েছে, এটা বলা যাবে না। অসংখ্য নারী শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে মারাত্মক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এর প্রভাব পড়ে জিএসপি সুবিধা বাতিলের ক্ষেত্রে। যদিও এটা সত্য, শুধু তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাওয়ার ব্যাপারে আমাদের আগ্রহ বেশি। তৈরি পোশাক রফতানির ক্ষেত্রে আমরা ১৫ দশমিক ৬২ ভাগ শুল্ক পরিশোধ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আমাদের অবস্থান ধরে রেখেছি। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আমাদের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে এখন ভিয়েতনাম। আর এ ভিয়েতনামের সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র অতিসম্প্রতি টিপিপি বা ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ চুক্তি করেছে। এ চুক্তির আওতায় ভিয়েতনাম শুল্কমুক্তভাবে তার তৈরি পোশাক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করতে পারবে। ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক যে যুক্তরাষ্ট্রে একটি ঝুঁকির মুখে থাকবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বলা ভালো, চীনের পরই ভিয়েতনাম হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাকের দ্বিতীয় বড় রফতানিকারক। অর্থাৎ চীন বেশি রফতানি করে। তারপর ভিয়েতনাম। পরিসংখ্যান বলছে, তৈরি পোশাকে ভিয়েতনামের রফতানি বাড়ছে ১২ থেকে ১৩ শতাংশ হারে। এখন টিপিপির ফলে এটা আরও বাড়বে। ২০১৫ সালেই ভিয়েতনাম পোশাক রফতানি খাতে ২৮ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। ভিয়েতনাম  ২০২০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সামগ্রিক রফতানি ৫০ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চায়। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি হওয়া ৮ হাজার ১৭৮ কোটি ডলারের মধ্যে চীনের ২ হাজার ৯৭১ কোটি ডলার। তার পরের অবস্থানই ভিয়েতনামের ৯২৬ কোটি ডলার। বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়া রয়েছে যৌথভাবে তৃতীয় অবস্থানে। চতুর্থ ও পঞ্চম যথাক্রমে মেক্সিকো এবং ভারত। দেশ দুইটির রফতানি যথাক্রমে ৩৭৩ ও ৩৪০ কোটি ডলার। বিজিএমইএ’র দেয়া তথ্যমতে, ২০১৪ সালে (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে ৪৮৩ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করে। পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রফতানি প্রবৃদ্ধি (যুক্তরাষ্ট্রে) কমেছে ৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আমাদের শঙ্কার কারণটা এখানেই। এমনিতেই যখন জিএসপি সুবিধা পুনর্বহাল হলো না, তখন যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনামের সঙ্গে টিপিপি চুক্তি স্বাক্ষর করল। এক্ষেত্রে টিপিপির ফলে আমাদের তৈরি পোশাক খাত যে ঝুঁকির মুখে আছে, তা আমরা কীভাবে কাটিয়ে উঠতে পারব, এ নিয়ে চিন্তাভাবনা করা প্রয়োজন।
জিএসপি সুবিধা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৫ সালের হংকংয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে ধনী দেশগুলো ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত দেয়ার শর্ত কার্যকর করতে রাজি হয়েছিল। এতে করে একটা ধারণার জন্ম হয়েছিল যে, অনুন্নত বিশ্ব পশ্চিমা উন্নত দেশে তাদের পণ্যের আওতা বাড়াতে পারবে। তবে একটা প্রশ্ন ছিল, পণ্যের মান ও উৎস নির্ধারণ নিয়ে। এ দুইটি বিষয় নির্ধারণের ক্ষমতা ছিল আমদানিকারক দেশগুলোর হাতে। হংকং সম্মেলনের ৮ বছর পর ২০১৩ সালের ৩ থেকে ৭ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার বালিতে সর্বশেষ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় (মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক)। বালি সম্মেলনের মধ্য দিয়ে এসব বাণিজ্য সংস্থা তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে বটে; কিন্তু ‘বালি ঘোষণায়’ কোন পক্ষ কী পেল, কিংবা বাণিজ্য বৈষম্যের শিকার অনুন্নত দেশগুলোর জন্য বিশেষ সুবিধাগুলো বাস্তবায়ন হবে কিনা, সে প্রশ্ন থেকে গিয়েছিল। বাস্তব ক্ষেত্রে দেখা গেল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কের প্রশ্নে এ প্রশ্নগুলোই আবারও উত্থাপিত হয়েছে। আমাদের জিএসপি সুবিধা পাওয়ার কথা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তৈরি পোশাকে কোনো জিএসপি সুবিধা দিচ্ছে না। তারপরও অন্যান্য পণ্যে যতটুকু সুবিধা পেত বাংলাদেশ, তাও ২০১৩ সালের জুন থেকে স্থগিত রাখা হয়েছে। জিএসপি সুবিধা স্থগিত করার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র মূলত প্রথমে তিনটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছিল। এক. শ্রমমান, দুই. শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলাম হত্যাকা-ের পূর্ণ তদন্ত ও বিচার এবং তিন. ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার। ঢাকার টিকফার প্রথম বৈঠকেও যুক্তরাষ্ট্র আকার-ইঙ্গিতে এ প্রশ্ন উত্থাপন করেছিল। শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ ‘রুলস অব অরিজিন’র কঠিন শর্তে আটকে আছে। ধনী দেশগুলো এটা তাদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে বাংলাদেশের মোট রফতানির ৬১.৩ ভাগ জিএসপি সুবিধার আওতায়। তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে মোট রফতানির প্রায় ৬০ ভাগ সুবিধা ব্যবহার করতে পারছে বাংলাদেশ। বলা ভালো, বাংলাদেশের মোট রফতানির ৭৮ ভাগ হচ্ছে তৈরি পোশাক। এ তৈরি পোশাকের ৬০ ভাগ যায় ইউরোপে, আর ২৫ ভাগ যায় যুক্তরাষ্ট্রে। তৈরি পোশাক আমাদের আয়ের অন্যতম উৎস হলেও  এ খাতের সঙ্গে জড়িত নানা ‘প্রশ্ন’ এর ব্যাপারে সঠিক ব্যাখ্যা ও বক্তব্য বাংলাদেশ উপস্থাপন করতে পারেনি। দরকষাকষিতে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত দুর্বল। আমলানির্ভর আমাদের মন্ত্রণালয়ের আমলারা বিদেশ সফর, সম্মেলনে অংশগ্রহণ ইত্যাদিকেই প্রাধান্য দেন বেশি। এখানে দক্ষ জনশক্তির বড় অভাব। বিজেএমইএ’ও দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে পারেনি। তাদের গবেষণা ‘সেল’ও শক্তিশালী নয়। শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধার সঙ্গে ‘রুল অব অরিজিন’, ‘এটি ডাম্পিং’ ও ‘কাউন্টারভেইলিং ব্যবস্থা’, শ্রমমান ইত্যাদি নানা টেকনিক্যাল প্রশ্ন জড়িত। এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত দুর্বল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায়ও আমরা এসব প্রশ্নে শক্ত অবস্থানে যেতে পারিনি।
আমাদের সমস্যা এখানেই। জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত ইস্যুগুলোর ব্যাপারে আন্তর্জাতিক আসরে আমরা আমাদের অবস্থান জোরালোভাবে উপস্থাপন করতে পারিনি। প্রতিপক্ষ এ থেকে সুবিধা নিয়েছে। তৈরি পোশাকের ব্যাপারে আমাদের আরও সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন ছিল। এখানে এক ধরনের শৈথিল্য কাজ করেছিল প্রথম থেকেই। যুক্তরাষ্ট্র যে ১৬ দফা কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিল, তার সবই বাস্তবায়ন হয়েছে, এটা বলা যাবে না। তবে এটা সত্য, এ ১৬ দফার বেশ ক’টি আমরা এরই মধ্যে বাস্তবায়ন করেছি। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে কথাটা বলা হয়েছে, তা হচ্ছে তারা ১৬ দফার পূর্ণ বাস্তবায়ন চায়। আংশিক বাস্তবায়ন তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এখন এর সঙ্গে যোগ হলো জঙ্গিবাদের প্রশ্নটি। যুক্তরাষ্ট্র এখন চাচ্ছে, বাংলাদেশ স্বীকার করুক এদেশে আইএস ও আল কায়দা আছে। কিছুদিন আগে তথ্যমন্ত্রী স্বীকার করেছিলেন, বাংলাদেশে ৮ হাজার আল কায়দা জঙ্গি আছে! কোন যুক্তিতে, কোন তথ্যমতে, তথ্যমন্ত্রী ভারতীয় পত্রিকা ‘দ্য হিন্দু’কে এ তথ্যটি দিয়েছিলেন, আমি জানি না। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর এ ধরনের সংগঠনের বাংলাদেশে উপস্থিতির কথা অস্বীকার করে আসছেন।
সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিরা যদি জঙ্গি প্রশ্নে পরস্পরবিরোধী কথাবার্তা বলেন, তা শুধু বিভ্রান্তি বাড়ায়ই না, বরং এতে করে যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তি এ থেকে সুবিধা নেবে, এটাই স্বাভাবিক। জিএসপি নিয়ে সমস্যা আছে। তার সমাধান হয়নি। এখন জঙ্গিবাদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘চাপ’ আরও বাড়ল। এ ‘চাপ’ কি বাংলাদেশ উপেক্ষা করতে পারবে? সচেতন পাঠক জানেন, যুক্তরাষ্ট্র অনেক দিন ধরেই বাংলাদেশের সঙ্গে ‘আকসা’ এবং ‘সোফা’ নামে দুইটি চুক্তি করতে চাচ্ছে। এর বাইরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সন্ত্রাসবিরোধী যে জোটটি গঠিত হয়েছে, তাতে বাংলাদেশের যোগদানের প্রশ্নটি। কোনো একটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তার সম্মতি জানায়নি। এখন নিশা দেশাইয়ের সফরের পর বাংলাদেশ জঙ্গি দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর অর্থ কী? বাংলাদেশ কি তাহলে ‘সোফা’ ও ‘আকসা’ চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে? সন্ত্রাসবিরোধী সামরিক জোটেও যোগ দেবে? আর এতে করে বাংলাদেশের স্বার্থ কতটুকু রক্ষিত হবে? এসব প্রশ্নের জবাব এ মুহূর্তে দেয়া যাবে না। নিশা দেশাইয়ের সফরের পর বাংলাদেশ কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়, এর জন্য আমাদের কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে মাত্র।
daily Alokito Bangladesh
08.05.16

0 comments:

Post a Comment